৯ই মে, ২০১৯ ইং, বৃহস্পতিবার, ২৬শে বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ



সেনাবাহিনী সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারবে: সিইসি


প্রকাশিত :২৪.১২.২০১৮, ৩:০০ অপরাহ্ণ

সেনাবাহিনী সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারবে: সিইসি

সেনাবাহিনী নামায় ভোটার ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ কে এম নূরুল হুদা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারবে বলেও জানান তিনি।

সোমবার (২৪ ডিসেম্বর) ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে নির্বাচন কমিশন আয়োজিত চলমান ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিদর্শন শেষে সিইসি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

নূরুল হুদা বলেন, ‘সেনাবাহিনী মোতায়েনের মাধ্যমে ভোটারদের মধ্যে ভোটের আস্থা ফিরে আসবে। এই উদ্দেশ্যেই আমি সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিলাম। আমি রাজনৈতিক দলগুলোকে আবারও অনুরোধ জানাবো— হাঙ্গামা, সহিংসতা, আন্তঃকোন্দল দূর করে শুধুমাত্র দলীয় প্রচারণার মাধ্যমে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে। মাঠে সেনাবাহিনী রয়েছে, তারা নিয়ম-শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে। আমি মনে করি, যে অল্প কিছু অরাজকতা ছিল, তা এখন দূর হবে। সেনাবাহিনী আইনশৃঙ্খলা রক্ষার খাতিরে যেকোনও ধরনের ভূমিকা পালন করতে পারবে। এই বিষয়ে আইন আছে, সে অনুসারে তারা কাজ করবে।’

এর আগে এক সংবাদবিজ্ঞপ্তিতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) জানায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আজ সোমবার (২৪ ডিসেম্বর) থেকে মাঠে নেমেছেন সশস্ত্র বাহিনীর (সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী) সদস্যরা। আজ থেকে আগামী ২ জানুয়ারি পর্যন্ত স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে তারা দায়িত্ব পালন করবেন।

আইএসপিআর-এর পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আলমগীর কবির স্বাক্ষরিত ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতে ভোটগ্রহণের পূর্বে, ভোটগ্রহণের দিন ও ভোটগ্রহণের পরে আইন ও শান্তি-শৃঙ্খলার নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিতে আজ (২৪ ডিসেম্বর) থেকে আগামী ২ জানুয়ারি, ২০১৯ পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনী স্ব স্ব দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় নির্বাচন কমিশন বা অসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দেবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বাহিনীর সদস্যরা প্রতিটি জেলা, উপজেলা, মেট্রোপলিটন এলাকার নোডাল পয়েন্ট (Nodal Point) ও অন্যান্য সুবিধাজনক স্থানে অবস্থান করবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে টহল ও অন্য কার্যক্রম পরিচালনা করবে। উপকূলীয় ১৮টি উপজেলা ও সীমান্তবর্তী ৮৭টি উপজেলা ছাড়া অন্য সব এলাকায় (৩৮৯টি উপজেলায়) সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। উপকূলীয় ১৮টি উপজেলায় নৌবাহিনী এবং সীমান্তবর্তী ৮৭টি উপজেলায় বিজিবি (অন্যান্য দায়িত্বপূর্ণ এলাকার পাশাপাশি) কার্যক্রম পরিচালনা করবে।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি
Designed By Linckon