২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং, বুধবার, ১১ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



বেপরোয়া এনা পরিবহন একদিনে কেড়ে নিলো ৫ প্রাণ


প্রকাশিত :২৯.০৮.২০১৮, ৫:২৫ অপরাহ্ণ

বেপরোয়া এনা পরিবহন একদিনে কেড়ে নিলো ৫ প্রাণ

ঢাকা: বেপরোয়া এনা পরিবহনের বাস একদিনে কেড়ে নিয়েছে পাঁচটি প্রাণ। বুধবার (২৯ আগস্ট) সকালে নরসিংদীর শিবপুরে এবং দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে এনা পরিবহনের দুই বাসের চাপায় এ প্রাণহানি ঘটে।

নরসিংদী: সকাল ১১টার দিকে শিবপুর উপজেলার আমতলায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এনা পরিবহনের বাসের চাপায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহীর মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন-গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া এলাকার খিরাটি গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে মেহেদী হাসান (২৫) ও কফিলউদ্দিনের ছেলে রোমান (২৪)।

পুলিশ জানায়, এনা পরিবহনের একটি বাস ঢাকা থেকে সিলেট যাচ্ছিল। গাড়িটি পথে আমতলা নামক স্থানে এসে বিপরীত দিক থেকে আসা দুই আরোহীসহ একটি মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলের চালক মারা যান। এসময় আহত হন অপর আরোহী। এ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

এদিকে, ঘটনার পরপরই উত্তেজিত জনতা সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে বাস ভাঙচুরের চেষ্টা করেন। পরে সৃষ্টিগড় থেকে এনা পরিবহনের বাসটি আটক করে হাইওয়ে পুলিশ।

ইটাখোলা হাইওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, এনা পরিবহনের বাসটি আরেকটি গাড়িকে ওভারটেক করার সময় মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। নিহতদের মরদেহ নরসিংদী সদর হাসপাতাল ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া: দুপুর দেড়টার দিকে সরাইল উপজেলার বৈশ্বামুড়া এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এনা পরিবহনের আরেকটি বাস খাদে পড়ে তিনজন নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হন আরো ২০ জন।

নিহতরা হলেন- বাসের যাত্রী রোবিনা নূর (৫০), তার মেয়ে সাবিনা নূর (৩২), ইয়াছিন (৭ মাস)। তাদের বাড়ি মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ও ময়মনসিংহে বলে জানায় পুলিশ।

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হোসেন সরকার দুর্ঘটনার বিষয়টি বাংলানিউজকে নিশ্চিত করে জানান, দুপুরে সিলেটগামী এনা পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বৈশ্বামুড়া এলাকায় মহাসড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি
Designed By Linckon