১৪ই আগস্ট, ২০১৮ ইং, মঙ্গলবার, ৩০শে শ্রাবণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



পরিবহন সেক্টরে বড় ধরনের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা দরকার—এএসপি মনিরুজ্জামান ফকির।


প্রকাশিত :০২.০৮.২০১৮, ৯:৫২ অপরাহ্ণ

পরিবহন সেক্টরে বড় ধরনের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা দরকার—এএসপি মনিরুজ্জামান ফকির।

সময়ের আলোচিত, যুব সমাজের আদর্শ, খুব অল্প সময়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল সার্কেল এএসপি মনিরুজ্জামান ফকির তার এক ফেসবুক ষ্ট্যাটাসে সম্প্রতি চলমান ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতের নিজের অভিভক্তি তুলে ধরেন। ষ্ট্যাটাসটি খুবহু তুলে ধরা হল।
পরিবহন সেক্টরে বড় ধরনের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা দরকার। আজকের এই আন্দোলন পরিবহন সেক্টরের উপর সাধারন মানুষের বহুদিনের অনাস্থার ফসল। তবে সকল বাস বন্ধ করে দিলেই বা ড্রাইভার হেল্পারকে উচিত শিক্ষা দিলেই রাতারাতি সমাধান হয়ে যাবেনা। যে ছাত্র আজকে রাস্তা বন্ধ করে আন্দোলন করছে হয়তো তারই কোন সহপাঠির ড্রাইভার বাবার আয়ে কাল তার স্কুলের বেতন দেওয়া হবে। আবার কাল যে হয়ত সড়ক দূর্ঘটনার শিকার হতে পারে সেও কোন প্রভাবশালীর আপনজন হতে পারে।
তাই আন্দোলন হওয়া উচিত অবশ্যই শান্তিপূর্ণ। কোনভাবেই যেন ছাত্রদের পড়ালেখার হ্মতি না হয় তা দেখতে হবে। আবার একদিনেই সব বাস বন্ধ করে দিলে
বা সড়ক মহা উন্নয়ন কাজ ধরলে তার জন্য সাধারন জনগনকেই কষ্ট পেতে হবে।
২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ হতে হলে নিরাপদ সড়কের ভূমিকা অপরিসীম। দূর্ঘটনায় আহত বা পঙ্গু ব্যক্তি সমাজে আর তেমন ভূমিকা রাখতে পারেন না। তাই নিরাপদ সড়ক এখন সময়ের দাবী।
এ লক্ষে নগর পরিকল্পনাবিদ, সড়ক পরিবহন বিশেষজ্ঞদের নিয়ে মালোয়েশিয়া সিংগাপুরেরর মত সুশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থার উদাহরন সামনে রেখে স্বল্প মেয়াদী ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নেওয়া যেতে পারে।
যেমনঃ
১।পর্যায়ক্রমে পুরাতন বাস তুলে দেওয়া।
২।রুট নির্দিষ্ট করে বাস কোম্পানি নির্দিষ্ট করে দেওয়া
৩।ড্রাইভার ও হেল্পারদের ট্রেনিং এর সুবিধা বাড়ানে
আগামী কত বছরে কত ড্রাইভার হেল্পার ট্রেনিং দেওয়া হবে তার রুপ কল্প তৈরি করা
৪।পরিবহন সেক্টরে যাতে যাতে পযার্প্ত ড্রাইভার পাওয়া যায় সেজন্য ড্রাইভিং ট্রেড খোলা
৫।ড্রাইভার হেল্পারদের মানসম্মত বেতনের ব্যবস্থা করা।
৬।ট্রাফিক আইন আরো কঠোর করা ও তার বাস্তবায়ন করা
৭।বড় শহরগুলোকে সিসি ক্যদমেরার আওতায় নিয়ে আসা এবং সকল ড্রাইভারদের বায়োমেট্রিক পরিচয় থাকা যাতে কোন ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করলে সিসি দেখে গাড়ীর মালিক ও ড্রাইভার সনাক্ত করা যায়
৮।যাত্রী ওঠা নামার জন্য আলাদা বে করা
বিশেষজ্ঞরা আরে অনেক ভালো পরিকল্পনা দিতে পারবেন। যারা সিদ্ধান্ত গ্রহন পর্যায়ে আছেন তাদের উচিত সাধারনের পালস বুঝা। আর জনগনের বুঝা উচিত সরকার জনগনের জন্যই কাজ করে যায়। ভালো কিছু চাইতে গিয়ে যেন কেউ আবার আইন না ভঙ্গ করেন বা কোন চক্রান্তে জড়িয়ে পড়েন। আগামীর বাংলাদেশ হোক উন্নত ও নিরাপদ। কারন আমিও এ মাটির সন্তান। দিনশেষে আমাকে সমাজেই ফিরে যেতে হবে সবার মাঝে।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি
Designed By Linckon