২৫শে মে, ২০১৮ ইং, শুক্রবার, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
  • প্রচ্ছদ » লিড ২ » নারী শিক্ষার উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে আজীবন সম্মাননা ‘গ্লোবাল উইমেন্স লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ পাচ্ছেন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা



নারী শিক্ষার উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে আজীবন সম্মাননা ‘গ্লোবাল উইমেন্স লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ পাচ্ছেন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা


প্রকাশিত :২৪.০৪.২০১৮, ৯:৪১ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশসহ এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নারী শিক্ষার উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে অসামান্য
অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আজীবন সম্মাননা ‘গ্লোবাল উইমেন্স লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ পাচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশে নারী শিক্ষার প্রসার এবং নারীর উদ্যেক্তার স্বীকৃতি হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ গ্লোবাল ওমেন’স লিডারশিপ এওয়ার্ডে ভূষিত হচ্ছেন ।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ২৭ এপ্রিল অনুষ্টেয় ‘২০১৮ গ্লোবাল সামিট অব উইমেন’ সম্মেলন চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এনজিও গ্লোবাল সামিট অব উইমেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আজীবন সম্মাননা এওয়ার্ড প্রদান করবে।

প্রধানমন্ত্রীর অস্ট্রেলিয়া সফর সম্পর্কে আজ এখানে এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী বলেন, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুলের আমন্ত্রণে ২৬ এপ্রিল শুরু হওয়া দুই দিনব্যাপী সম্মেলনে যোগদানের লক্ষ্যে শেখ হাসিনা ২৬ এপ্রিল সিডনির উদ্দেশে যাত্রা করবেন।
সম্মেলনে যোগ দিতে গ্লোবাল সামিট অব উইমেন ও প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে।

বিশ্বব্যাপী নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে গ্লোবাল সামিট অব উইমেন এ ধরনের সম্মেলনের আয়োজন করে থাকে।

সংস্থার উদ্যোগের অংশ হিসেবে নারী শিক্ষা এবং তাদের ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদান রাখার জন্য সম্মানিত করতে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মনোনীত করা হয়।

গতবছর জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে এ পদক পান। ইতোপূর্বে জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন, ইউনেস্কোর সাবেক মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা, জাতিসংঘের সাবেক শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার সাদাকো ওগাতা, চিলির সাবেক প্রেসিডেন্ট মিশেল ব্যাশেলেট, আয়ারল্যান্ডের সাবেক প্রেসিডেন্ট মেরি রবিনসনসহ অনেক প্রথিতযশা ব্যক্তি এই মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা গ্রহণ করেছেন।

সফরকালে ২৮ এপ্রিল সিডনিতে কমনওয়েলথ হাউসে প্রধানমন্ত্রী অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে করবেন।

বৈঠককালে দুই নেতা মানবসম্পদ উন্নয়ন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, কৃষি, নিরাপত্তা, শিক্ষা এবং ক্রীড়া বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন।

মাহমুদ আলী আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রীর এ সফর দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করবে। পাশাপাশি অন্যান্য কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক জোরদার হবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি এবং সিনিয়র সরকারি কর্মকর্তাগণ প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন।
প্রধানমন্ত্রী ৩০ এপ্রিল ভোরে দেশে ফিরবেন।
————–



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি
Designed By Linckon