২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং, সোমবার, ৯ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
  • প্রচ্ছদ » অপরাধ » অবশেষে এএসপি মনিরুজ্জামানের সহযোগিতায় দর্ষণের মামলা নিল সরাইল থানা পুলিশ



অবশেষে এএসপি মনিরুজ্জামানের সহযোগিতায় দর্ষণের মামলা নিল সরাইল থানা পুলিশ


প্রকাশিত :০২.০২.২০১৮, ৫:০০ অপরাহ্ণ

অবশেষে এএসপি মনিরুজ্জামানের সহযোগিতায় দর্ষণের মামলা নিল সরাইল থানা পুলিশ

সরাইলে গতকাল ০১-০২-২০১৮ইং তারিখে নাদিম (২২) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করল সরাইল থানা পুলিশ। ঐ যুবকের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানার চানমনি পাড়া গ্রামে। যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ হাবিবা ২০ নামের এক প্রতিবন্ধীকে প্রেমের প্রলোভনে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে জোর পূর্বক দর্ষন করা। বাদী হাবিবা (২০) পিতা-ইছাক মিয়া, একই গ্রামের বাসিন্দা। বাদী হাবিবা একজন প্রতিবন্ধি। ছোট থাকতেই হাবিবার মা মারা যায়। তখন আমার বাবা অন্য আরেকজনকে বিবাহ করিয়া অন্যত্র ঘর সংসার করে। ছোট কাল থেকেই হাবিবা চাচা ইসমাইল মিয়ার বাড়ীতে বসবাস করে। বাদী হাবিবা বলে রাস্তা-ঘাটে এবং বাড়ীতে সুযোগ পাইলেই বিভিন্ন সময় দর্ষনকারী নাদিম বিভিন্ন কু-প্রস্তাব দিত। এক পর্যায়ে প্রতিবন্ধী সহজ-সরল হাবিবা সহজ সরল মনোভাবে নাদিমের প্রেমের প্রস্তাবে রাজী হই এবং তাহার সহিত দীর্ঘদিন যাবৎ প্রেমের সম্পর্ক চলিতে থাকে। বাবা অন্যত্র বিয়ে করায় হাবিবা এক চাচির সাথে থাকেন, যদিও চাচি বাবুর্চির কাজ করেন। ঘটনাটি ঘটে গত ২৫/০৮/২০১৭ খ্রিঃ তারিখে। ঐ দিন তাহার চাচি অন্যত্র বিয়ের জন্য বাচুর্চির কাজে যান। রাত অনুমান ০৯.৪৫ টার দিকে বাথরুমে যাওয়ার সুযোগে অন্যায় ভাবে জোরপূর্বক ধর্ষন করে নাদিম। পরবর্তীতে কাউকে জানাইলে প্রাণে খুন করিয়া ফেলিবে মর্মে হুমকী দিবে বলে। বর্তমানে ১৮ সপ্তাহের গর্ভবতি হাবিবা। বিভিন্ন দ্বারে দ্বারে ঘুরেও বিচার না পাওয়ায় অবশেষে সরাইল সার্কেলে নিয়োজিত সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ মনিরুজ্জামান ফকির এর সরনাপন্ন হয়। সম্প্রতি বিভিন্ন আলোচিত ভাল কাজের জন্য সারা বাংলাদেশে প্রশংসিত হচ্ছে এই সার্কেল। অবশেষে এই সার্কেলের সহযোগিতায় মামলা নিল সরাইল থানা পুলিশ। গতকাল এই মামলার প্রধান আসামী দর্ষণকারী নাদিমকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরন করেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি॥



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি
Designed By Linckon