২৬শে এপ্রিল, ২০১৮ ইং, বৃহস্পতিবার, ১৩ই বৈশাখ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



দ্বিতীয় ভৈরব রেলসেতুতে পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচল শুরু


প্রকাশিত :০৩.১১.২০১৭, ১১:২৯ অপরাহ্ণ

দ্বিতীয় ভৈরব রেলসেতুর ওপর দিয়ে শুক্রবার পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচল শুরু হয়- ফোকাস বাংলা

নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক বছর পর অবশেষে দ্বিতীয় ভৈরব রেলসেতুর ওপর দিয়ে পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।

শুক্রবার প্রায় ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই রেলসেতুর ওপর দিয়ে সুবর্ণ এক্সপ্রেস পার হওয়ার পর পর্যায়ক্রমে উপকূল এক্সপ্রেস, নোয়াখালী এক্সপ্রেস, ডেমু, তিতাস এক্সপ্রেস ও জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, প্রায় চার কিলোমিটার দীর্ঘ এ রেলসেতুটির ভার বহনক্ষমতা প্রথম সেতুর দ্বিগুণ। এতে থাকছে মিটারগেজ ও ব্রডগেজ লাইন। ফলে এটি চালু হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট রেলপথে যোগাযোগে যেমন সময় কম লাগবে, তেমনি রেলভ্রমণ ও পণ্য পরিবহন হবে সহজ ও সুলভ।

রেলসেতুটি বাস্তবায়নে ব্যয় হয়েছে ৫৬৭ কোটি ১৬ লাখ টাকা, যার সিংহভাগ ভারতীয় ঋণ সহায়তার (এলওসি) আওতাভুক্ত। চুক্তি অনুসারে ভারতীয় জয়েন্ট ভেঞ্চার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইফসকন-অ্যাফকনস প্রতিষ্ঠান ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে নির্মাণকাজ শুরু করে। ২০১৬ সালের জুনে প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নানা জটিলতায় নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হয়নি।

চলতি বছরের জুলাইয়ে নির্মাণ শেষে সেতুটি বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করলে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শুক্রবার সেতু দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেন চালু করে। নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানটি আগামী এক বছর পর্যন্ত সেতুটির প্রয়োজনীয় মেরামত ও কারিগরি সহযোগিতা প্রদান করবে। সেতুটি চালু হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে চলাচলে সময় লাগবে বর্তমান সময়ের চেয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা কম।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলীয় মহাব্যবস্থাপক ও দ্বিতীয় ভৈরব সেতু নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক আবদুল হাই বলেন, দ্বিতীয় আশুগঞ্জ-ভৈরব রেলসেতুর কারণে পূর্বাঞ্চলে রেল যোগাযোগে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি
Designed By Linckon