২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং, শনিবার, ৮ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ



“আমরা যদি না জাগি মা কেমনে সকাল হবে”


প্রকাশিত :২০.০৮.২০১৭, ৭:৫৩ পূর্বাহ্ণ

 

 

বন্যা কবলিত এলাকার ছবি ও ভিডিও সামাজিক মিডিয়ায় ভাইরাল করার লোকের অভাব নেই। কেউ করতেছে সরকারের বদনাম করার জন্য, আবার কেউবা হিরো হওয়ার জন্য।
মোবাইল অপারেটর কোম্পানির মাধ্যমে প্রত্যেক ব্যবহারকারীর ব্যালেন্স থেকে ১০-২০ টাকা মাসিক (বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত) কেটে বন্যার্তদের সাহায্য করার একটা দাবি করেছে কিছু লোক। আমি তাদের এই প্রস্তাবকে সমর্থন করি। কিন্তু কিছু লোক সরাসরি এটার বিরোধীতা করতেছে। অথচ এই বিরোধীদের ফেসবুক ওয়ালেই দেখি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার ছবি দিয়ে হিরো হতে চাচ্ছেন। এতে বোঝা যায় আপনারা মুখেমুখেই দিলদার, আপনাদের নিজের পকেট থেকে দুর্গত মানুষের জন্য সাহায্য বেরিয়ে আসবেনা।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা দুর্গত মানুষের পাশে আছে ও থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী টিম গঠন করেছে। উদ্ধার কাজ, ত্রান সরবরাহ, মেডিকেল টিম ইত্যাদি। শেখ হাসিনা গণমানুষের নেত্রী, তিনি নিজে পারবেন সকল প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে। কোন মানুষ না খেয়ে মরবেনা। এটা বঙ্গকন্যার প্রতি আমার বিশ্বাস ও আস্থা।

আমরা প্রবাসীরাও দুর্গত মানুষের পাশে থাকতে চাই। এজন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবশ্যই উদ্যোগ নিতে হবে। যেমন টাকা পাঠানোর জন্য ব্যাংক একাউন্ট, বিকাশ নাম্বার সহ অন্যান্য মাধ্যমগুলো আমাদের জনতে হবে। তাহলে হয়তো অনেকেই এগিয়ে আসবে। আমি আশা করি, সকল প্রবাসীই তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবে। অর্ধেক প্রবাসীও যদি একদিনের শ্রমের টাকা বন্যার্ত মানুষদের সাহায্যের জন্য পরিশোধ করে, তাতে বড় ধরনের একটা তহবিল তৈরী হবে। আমরা প্রবাসীরা দুর্গত মানুষের পাশে থাকতে চাই।

“আমরা যদি না জাগি মা কেমনে সকাল হবে”



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি
Designed By Linckon